সর্বশেষ:

ডা. তারিক আলম অনি

রেজিস্ট্রার
ডিপার্টমেন্ট- এক্সিডেন্ট এন্ড ইমার্জেন্সী, 
গ্ল্যাডস্টোন হাসপাতাল। 
সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া।

ডাক্তারি ভাবনা: এমবিবিএস বনাম নন-এমবিবিএস ডাক্তার

ডা. আব্দুল করিম (ছদ্মনাম)। প্রেসক্রিপশনে নামের পাশে এমবিবিএস শব্দটি নেই। আছে কিছু অ-আ-ক-খ বর্ণমালা। এমএলএফ (গ্রাম ডাক্তার), সাকমো (SACMO) সাব এসিস্টেন্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, ভিডি (ভিলেজ ডক্টর), পিসি (পল্লী চিকিৎসক), মেডিক্যাল এসিস্ট্যান্ট, ডিপ্লোমা, বিভিন্ন ধরণের পিজিটি। মোবাইল নম্বর দেওয়া আছে।

মফস্বল বা জেলা-উপজেলা শহরগুলোর কোন এক ফার্মেসীতে প্র্যাক্টিস করেন এরা। দশম শ্রেণী পাশ করে নিউরোমেডিসিন অধ্যাপক সেজে প্রাকটিস করছে। এরা আমার এই লেখার আলোচ্য না। আলোচ্য, যারা নন-এমবিবিএস অথচ ডাক্তার লিখে প্র্যাক্টিস করছেন। প্রায়ই অদ্ভুত সব প্রেসক্রিপশন বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে আসছে। এসব চিকিৎসা পত্র নিয়ে প্রচুর সমালোচনা। যার মোদ্দা কথা অধিকাংশই অপচিকিৎসা। ভুলে ভরা পরীক্ষা, ভুল ঔষধ, অপ্রেয়োজনীয় ঔষধ, এমনকি বানান পর্যন্ত ভুল। কিন্তু আসলেই কি ভুল? সবটুকুই ভুল নাকি কিছুটা ভুল? কত শতাংশ ভুল? আসলেই কি এই নন-এমবিবিএস প্র্যাক্টিশিয়ানরা শুধু অপচিকিৎসা করে যাচ্ছেন, নাকি এদের প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে? আজকের লেখাটা এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার প্রচেষ্টায়।

দেখুন, গত বিশ-ত্রিশ বছর ধরেই দেশে ভুয়া ডাক্তার ধরা চলছে। জরিমানা করে, ধাওয়া করে দুই-একজন আব্দুল করিম ভুয়া ডাক্তার হিসেবে ধরা পড়ছে। কিন্তু বছরান্তেই তিনি আবার অন্য এক জেলায় ডাক্তারি শুরু করছেন। ডাক্তারদের সোসাল মিডিয়া পেজে প্রচারণা চলছে, কিন্তু সমস্যা টা সমাধান হচ্ছে না। আইন যথেষ্ট আছে। তারপরও সমাধান নেই।

দেশের বিশাল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বৃহৎ একটা অংশ সজ্ঞানেই আব্দুল করিমদের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অনেকেই ভালো হয়ে যাচ্ছেন বা তাৎক্ষণিক উপশম পাচ্ছেন, এমন খবর আমরা পাইনা। অপচিকিৎসার ফলে রোগীর ক্ষতির খবরগুলো আমরা বেশি পেয়ে থাকি। কারণ তা ফলাও করে ছাপা হয়। তবুও কিন্তু আবদুল করিমদের রোগী কমছে না। ত্রিশ বছরে কোন আইন প্রয়োগ করেও এই ধরনের প্র্যাক্টিস বন্ধ করতে না পারার যে ব্যর্থতা তার দুইটি কারণ রয়েছে বলে আমার মনে হয়-

১। সরকারের সমর্থনঃ নন-এমবিবিএস এসব প্র্যাক্টিশিয়ানদের প্রতি সকল সরকারের প্রচ্ছন্ন সমর্থন ছিল এবং বর্তমানেও আছে। দেখুন, এটা তিক্ত এবং প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, বিসিএস ডাক্তাররা গ্রামে থাকে না। কেন থাকেনা সেটা ভিন্ন আলোচনা। সরকার নাই মামার থেকে কানা মামাদের পরোক্ষ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে বা বন্ধ করার চেষ্টা করছে না। একইরকম হোমিওপ্যাথী। কারণ অসচেতন বিশাল দরিদ্র জনগোষ্ঠীর একটি বিশাল অংশ স্বল্প খরচে ১০০-২০০ টাকার মধ্যেই আপাতত সমাধান দ্রুত কিছু একটা প্রেশক্রিপশন পেয়ে যাচ্ছে। যেটা সরকারের জন্য স্বস্তির। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চাহিদা আপাত মিটছে।

২। প্রয়োজনীয়তাঃ বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এসব নন-সার্টিফিকেটধারী প্র্যাক্টিশনার (ডাক্তার বলছি না) মিসহ্যাপ করলেও কিছু মানুষ সেবা পাচ্ছে। সেই কিছু মানুষের সংখ্যাটা নেহায়েত কম নয়, বরং মূল প্র্যাক্টিসের চেয়ে বেশি। অর্থাৎ এদের আসলেই প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সুতরাং প্রশ্ন রয়েই যায় এই সেবার কত শতাংশ মিসহ্যাপ হচ্ছে? সেটা কি ডাক্তারদের থেকে বেশি? কোন স্টাডি বা ডাটা সম্ভবত নেই, যা আছে মুখে মুখে। এই আলোচনায় পরে আসছি। বরং সমরূপ একটা উদাহরণ টানছি দেখুন। সরকার বিগত ৪০ বছরেও ফুটপাথ থেকে হকার উচ্ছেদ করতে পারেনি। রাস্তা থেকে কাঁচাবাজার উচ্ছেদ করতে পারেনি। কেন পারেনি? দুইদিন পর পর উচ্ছেদ অভিযান, জেল জরিমানা, এরপরও কেন তা বন্ধ হচ্ছেনা? কারণ হল- প্রয়োজনীয়তা। হকারের প্রয়োজন রয়েছে। সব হকার উচ্ছেদ করে দিলে দেশের মানুষ সবাই বসুন্ধরা সিটি বা শপিং মল থেকে জামা কিনে পরতে পারবে না। হকারদের কাস্টমারও বেশি। প্রয়োজনকে উপেক্ষা করে যে উচ্ছেদ এবং যার সাথে পুর্নবাসন শব্দটি নেই তা যত শক্ত আইন আর উচ্ছেদ অভিযানই হোক না কেন, তা ফলপ্রসূ হয় না। কারণ Necessity knows no law. এই বিশাল নন-এমবিবিএস প্র্যাক্টিসিং গ্রুপ বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় প্রয়োজনীয়তা।

আমি দেশের বাইরে প্র্যাক্টিস করি। বিদেশে প্র্যাক্টিস করে আমার প্রায়ই মনে হয়, বাংলাদেশে যে বিলাত-আমেরিকার ডাক্তারি বই পড়ে একজন এমবিবিএস পাশ করে ডাক্তার হন। তার ৫ শতাংশও জ্ঞান প্রয়োগের সুযোগ ৯৫ শতাংশ ডাক্তারের কর্মক্ষেত্রে নেই। এমন কি ঢাকার সর্বোচ্চ হাসপাতালেও অনেকসময় নেই- সেই ট্রেনিং নেই, দক্ষ জনবল নেই, নির্ভরযোগ্য ল্যাব নেই, লজিস্টিকস-যন্ত্রপাতি নেই। উপরন্তু অর্থাভাব, দূর্নীতি, বিশ্রী রাজনীতি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে।

দেশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি, লোকাল গাইডলাইন নিজেদেরকেই উদ্ভাবন করতে হবে। এমবিবিএস ছাড়া যারা প্র্যাক্টিস করছে তাঁদের কোন ট্রেনিং বা সার্টিফিকেট দিয়ে রেফারাল সিস্টেমের মধ্যে আনা যায় কি না ভেবে দেখা দরকার। বাইরে নার্স প্র্যাক্টিশনার রয়েছে। দেশেও এরুপ সম্ভব, বর্তমান বাস্তবতায় প্রয়োজনীয়ও বটে। প্রয়োগের অপেক্ষা।

নন-এমবিবিএস বিশাল এক প্রান্তিক সেবা প্রদানকারী জনগোষ্ঠীকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করে আইন এবং শক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চালানোর সামর্থ বাংলাদেশের আছে কি না, সেটা তর্ক সাপেক্ষ। আমার উত্তর- আমাদের সেই সামর্থ নেই। শুধু ডাক্তার দিয়ে একদম প্রান্তিক জনগণ পর্যন্ত সেবা পৌঁছানোর স্বক্ষমতা বাংলাদেশের এখনও হয়নি। তাই আব্দুল করিমদের আমাদের লাগবে। নিয়মের মধ্যে লাগবে- ফলে নিয়ম করাটা জরুরি।

সমস্যা হয়ে গেছে যে, বাংলাদেশে যে জুনিয়র ডাক্তার কিছুতেই রেফারাল ছাড়া কনসালটেন্টের কাছে রোগী পাঠাতে চাচ্ছেন না। আন্দোলন করছেন রেফারাল পদ্ধতির জন্য, অথচ নিজেই দুইদিন পর মেডিসিনের কনসালটেন্ট হয়ে রেফারাল ছাড়াই শিশুরোগ দেখে ভিজিটের টাকাটা রেখে দিচ্ছে। কারণটা যে মেডিসিন নয় পিওর অর্থনীতি, তা নিশ্চয়ই সবাই বুঝে গেছেন। রেফারাল সিস্টেম হলে একদম নিম্নস্তরের নন-এমবিবিএস প্র্যাক্টিশনার আব্দুল করিম থেকে উচ্চস্তরের অধ্যাপক দীন মোহাম্মদ স্যার পর্যন্ত হওয়া দরকার।

আব্দুল করিমদের ট্রেনিং দরকার। স্বীকৃতি দরকার। সম্মান দরকার। তাঁদের নির্দিষ্ট গাইডলাইন দরকার। যে গাইডলাইনে সে তার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার মধ্যে সাধারণ পেট ব্যাথা, জ্বর, মাথা ব্যাথার সঠিক ঔষধ দিতে পারবে। এছাড়া রোগীর সাথে কথা বলে এবং কিছু সাধারণ পরীক্ষা করে এটুকু বুঝতে পারবে কোন মাথা ব্যাথার জন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়া জরুরি, কোন ধরনের পেট ব্যাথা প্রাণঘাতী হতে পারে।

অনেকেই দ্বিমত পোষণ করতে পারেন- এত বোঝার ক্ষমতা সামান্য আব্দুল করিমদের আছে কি না। আমার উত্তর-আছে এবং খুব ভালোভাবেই আছে। শুধু ট্রেনিং দরকার। অস্ট্রেলিয়াতে মাঠ পর্যায়ে প্যারামেডিক হার্ট এটাক (STEMI) ইসিজি করে লাইসিস পর্যন্ত করে ফেলে- অথচ সে কার্ডিওলজির টাও হয়তো আমাদের বিচারে বুঝে না। তাকে কিছু নির্দিষ্ট প্যাটার্ন শিখানো আছে। সে তার প্যাটার্নে কাজ করে। ট্রেনিং পেলে আমাদের আব্দুল করিমরাও এরচেয়ে ভালো কাজ করে দেখাতে পারবে। আমরা অবজ্ঞাভরে ফেলে রেখেছি। মানব সম্পদ পড়ে রয়েছে। আমরা তাঁদের খাঁটি সোনা ও দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করতে পারছি না। উল্টো তাঁদের পিছনে বাহিনী লাগিয়েছি।

এজন্য, আমি যখন এরকম কোন আব্দুল করিমের ভুল প্রেসক্রিপশন দেখি, তখন তাঁকে কটাক্ষ করার আগে নিজেদের দিকে তাকাতে ইচ্ছে হয়। তাঁকে কোনরকম প্রশিক্ষণ ছাড়া কাজ করতে হচ্ছে। সে প্রেসক্রিপশনে ভুল-শুদ্ধ, যা লিখেছে হয়তো কোন এক ডাক্তার বা ফার্মেসীর কাছে একনজর দেখে শিখেছে। তাকে পুরোপুরি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করার পূর্বে রাষ্ট্রযন্ত্রের নিজের সিস্টেম ব্যর্থতা বিশ্লেষণ করা উচিত। কারণ আব্দুল করিমরা সিস্টেমের বাই প্রোডাক্ট, সিস্টেমের তৈরী।

অনেকেই আব্দুল করিমদের দৌরাত্ম, রোগীকে জিম্মি করা, দুই নম্বরী পন্থার প্র্যাক্টিস আর অর্থ উপার্জনের ব্যাপারটি তুলে ধরবেন। এই ব্যাপারটি আলোচনা করাটা আরও বেশি লজ্জাকর হবে। কারণ আমি যদি বড় শহরগুলোর বাইরে খোদ এমবিবিএস পাশ ডাক্তারদের প্র্যাক্টিসের বিভিন্ন অন্ধকার দিক এবং অর্থ উপার্জনের নানা পন্থা নিয়ে আলোচনা শুরু করি তাহলে তা অনেকের জন্যই অস্বস্তিকর হয়ে দাঁড়াবে। তাই এই আলোচনা বাদ দিচ্ছি। আমি অর্থনীতির ব্যাপারটা এড়িয়ে গেলাম সবার সম্মান রক্ষার্থেই।

তবে অর্থনীতি যখন এসেই গেল তখন বলি, উন্নত বিশ্ব তথা সারা পৃথিবীতেই স্বাস্থ্যসেবা একটা ব্যবসা। জ্বী, ভুল শুনছেন না। স্বাস্থ্য শুধু সেবা কখনই নয়। বরং সেবামূলক ব্যবসা। ঈশ্বরের পরে অবস্থান বলে পেশাটিকে মহিমান্বিত করা হলেও ডাক্তার মোটেও ঈশ্বর না। তার লোভ লালসা অন্য সাধারণ দশটা মানুষের মতই। কারণ তাঁদের ও পেট চালাতে হয়। মুদী দোকানদার ডাক্তার বলে তাকে চাল-ডাল ফ্রিতে দেয়না, মাছওয়ালা দুটো মাছ ফ্রি দিয়ে দেয়না। যে পরিমান গাধার খাটুনি করে সে চার- পাঁচটা ডিগ্রী অর্জন করেছে তার মুনাফা রিটার্ন সে তুলতে চায়। সারা পৃথিবীতেই তাই হয়। গায়ে সাদা এপ্রোন জড়ালেই মনটা সফেদ সাদা হয়ে যায় না এই সত্য সবার জানা।

এই খোদ অস্ট্রেলিয়াতেও তাই হয়। এক ফেলোশিপ করা জুনিয়র সার্জনের আয়ের থেকে ডাবল ফেলোশিপ করা- দশটা গবেষণা বেশি করা সার্জনের আয় ডাবল ও বেশি। সহজ ব্যবসায়িক সুত্র। কেন সার্জনের আয় মিলিয়ন ডলার আর অফিসারের বেতন তার দশ ভাগের এক ভাগ তা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ থাকলেও জনগণ সম্মানের সাথেই মেনে নেয়। কারণ ন্যূনতম স্ট্যান্ডার্ড (যেটা সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক মানের) নিশ্চিত করে রাষ্ট্র। প্রচুর নিয়ম করে এবং তা কঠোরভাবে অনুসরণ করে নিশ্চিত করা হয় যে, সবকিছু একটা নিয়মে চলবে।

যেকোনও ঘটনার পর সামগ্রিক সিস্টেমটা কে শক্তিশালী করার একটা চেষ্টা থাকে। কোনও নির্দিষ্ট চেয়ার বা ব্যাক্তিকে নয় বা শুধু একজনকে ধরে শাস্তি দিয়ে ব্যাপারটা শেষ করে ফেলা হয় না। এই অস্ট্রেলিয়াতেও ভুয়া ডাক্তারের ঘটনা ধরা পড়েছে। যে এই দেশের ভয়াবহ চালুনী পদ্ধতির ফাঁক গলে বের হয়ে গেছে। অস্ট্রেলিয়া তাকে ধরতে পারেনি। কিন্তু দোষটা শুধু তাকে না দিয়ে নিজেদের দিকে আরেকবার ঘুরে তাকিয়েছে। নিজেদের ছিদ্রগুলো খুঁজে বের করার জন্য।

আমার সাথে অনেকেই দ্বিমত করতে পারেন। অথচ আমার প্রায়ই মনে হয়, বাংলাদেশে সামগ্রিক নার্সিং ব্যবস্থাটাকে আমরা ডাক্তাররাই অবদমিত করে রেখেছি। অবজ্ঞা-তাচ্ছিল্য করে বিকশিত হতে দেইনি। এর পিছনেও কিছু অর্থনীতি-রাজনীতি আছে, সেদিকে না যাই।

সামগ্রিক সত্যটা এমন দাঁড়িয়ে গেছে যে, রোগী- ডাক্তারের মাঝে বিশাল ব্যক্তিবর্গ (নার্স, মেডিক্যাল অ্যাসিস্টেন্ট, ফার্মাসিস্ট, কাউন্সেলর, ফিজিও, অকুপেশনাল থেরাপী, স্পীচ প্যাথোলজী, ডায়েটিশিয়ান, নার্স এডুকেটর, মিডওয়াইফ, নার্স ট্রেইনার, কমিউনিটি অফিসার..... বলতে থাকলে ৫০ হয়ে যাবে) সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। একটি রোগীর ম্যানেজমেন্টে ১০ শতাংশ কাজ করে ডাক্তার।


সংবাদটি শেয়ার করুন:


ডা. তারিক আলম  গ্রাম ডাক্তার  মেডিকেল অফিসার  পল্লী চিকিৎসক  ডাক্তারি ভাবনা  এমবিবিএস বনাম নন-এমবিবিএস ডাক্তার






























জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:

প্রধান উপদেষ্টা: অধ্যাপক ডা. মো. তাহির, সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ), ঢাকা
বার্তা কক্ষ: ০১৮৬৭৮৪৪৪৫৩  ই-মেইল: [email protected]
মোবাইল: ০১৮৬৭৮৪৪৪৫১